আর্সেনিক পরিস্থিতিক নিয়ন্ত্রণ: বাংলাদেশের সমস্যা

what is arsenic pollution in bengali language

Arsenic pollution in water is a significant issue in Bangladesh, where millions of people are exposed to contaminated drinking water and food. This problem was first identified in 1987, and despite efforts to address it, many individuals continue to face health risks associated with arsenic exposure, including arsenicosis, various types of cancers, neurological disorders, and other adverse effects. The contamination primarily occurs in groundwater supplies, and the situation in Bangladesh is considered the largest environmental arsenic poisoning event, impacting an estimated 50 million people. The pollution has also been observed in West Bengal, India, with nine districts affected. The social implications of arsenic poisoning in Bangladesh include ostracization, rejection by family members, and challenges for women in marriage.

Characteristics Values
Arsenic contamination first identified 1987
Arsenic-contaminated tubewells contain arsenic ranges 100 to 300 µg/L
Number of people at risk of exposure 50 million
Number of people who die from arsenic poisoning each year 43,000
Average arsenic intake by males in contaminated areas 1.734 mg
Average arsenic intake by females in contaminated areas 1.321 mg
Arsenic-related diseases Arsenicosis, cancers, neurological disorders, cardiovascular diseases, diabetes, respiratory diseases, renal and reproductive diseases
Arsenicosis symptoms Zengoo (black patches on palms and soles), blisters (foskaa), sores (ghaa), swellings (gotta/goottee), itching (chulkani)
Social implications Ostracisation, rejection by family members, divorce, children not being sent to school
Number of districts in West Bengal, India, with arsenic levels above WHO limit 9
Number of districts in Bangladesh with arsenic levels above WHO limit 42

shunwaste

জল জনিত আর্সেনিক প্রদূষণ (arsenic contamination in water)

জল জনিত আর্সেনিক প্রদূষণ বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম জনস্বাস্থ্য বিপর্যয় হিসেবে গণ্য করা হয়। বাংলাদেশে প্রায় বিপুল জনসংখ্যা এই সমস্যার সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। আর্সেনিক প্রদূষণ সমস্যা বাংলাদেশে ১৯৮৭ সালে প্রথম দেখা যায়, এবং কতিপয় স্থানে পরিমাণ ৫০ মিলিগ্রাম প্রতি লিটার (মিগ্রা/লিটার) এর বেশি, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শিত সর্বোচ্চ স্তরের চেয়ে অতিক্রম করে। বাংলাদেশের উত্তরের এক জেলায় ১৯৯৩ সালে আর্সেনিক প্রদূষিত গভীনজল প্রথম দেখা গেছে। গ্রামাঞ্চলের পানি পর্যাপ্ত ব্যবস্থা হিসেবে টিউবওয়েল ব্যবহৃত হয়, এবং বাংলাদেশের পর্বতমালা ও উপচারিত ভূমিকে ব্যতীত আর্সেনিক প্রদূষিত টিউবওয়েল বিতরণ করা হয়। বাংলাদেশের ৫ কোটি মানুষ আর্সেনিক প্রদূষিত পানি সেবন করার ঝুঁকি অনুভব করেন।

আর্সেনিক প্রদূষণ সমস্যা বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় গভীনজলে আর্সেনিক পরিমাণ বিশ্ব স্বাস্থ

shunwaste

খাদ্যশ্রঙ্খিতে আর্সেনিক (arsenic in the food chain)

আর্সেনিক এক প্রকার জাদুকোর যা স্বাভাবিক ভাবেই মানুষের জন্য বিষন্তন। বছরগুলি ধরে বাংলাদেশের ভূগর্ভজল ও খাদ্যশ্রঙ্খা আর্সেনিকে আক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। ফলে দেশটির লাখো লোক পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে আর্সেনিকে সংক্রমণে আসছেন। আর্সেনিকের সংক্রমণের বিভিন্ন প্রতিকুল প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, যেমন বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার, মানসিক বিকার, হৃদরোগ, ডায়বেটিজ, শ্বাসরোগ, গর্ভাশয় ও প্রজনন সংক্রান্ত রোগ এবং বহু অঙ্গ সংক্রমণ। গর্ভবতী মাদরীর আর্সেনিক সংক্রমণ শিশুর মৃত্যু, অস্পষ্টপন, অসময়সী জন্ম, কম ওজনের শিশুর জন্ম, শিশুর বিকাশে বিলম্ব, নিম্ন প্রতিরোধ ক্ষমতা, নিম্ন আইকিউ, নিউরোটক্সিসিটি এবং মানসিক বিকাশের অভাব সঙ্কেত বৃদ্ধি করে।

বাংলাদেশে, আর্সেনিকোসিস রোগীরা অন্য কোনও আর্সেনিক সংক্রমণের রোগীদের চেয়ে সামাজিক-অর্থনৈতিক সমস্যা অভিমুখী হয়। বাংলাদেশে গ্রামভূমিতে টিউবওয়েল পানি পান করার প্রধান স্রোত। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশের উত্তরের এক জেলায় টিউবওয়েল পানিতে আর্সেনিক পাওয়া গেল। এরপর থেকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকার আর্সেনিক সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পরিকল্পনা চালু করে।

আর্সেনিক সংক্রমণের সমাধান হিসেবে নিরাপদ পানি, পুষ্টিকর খাদ্য, যোগাযোগ, সর্বজনীন জাগৃতি ও অর্থ

shunwaste

আর্সেনিকের সম্ভবনা ও প্রভাব (arsenic exposure and impacts)

আর্সেনিক সমস্যা বিশ্বস্তরীয় জনস্বাস্থ্য সংকট, বিশেষত বাংলাদেশের জন্য এটি বিপদজনক পরিমাণে বিপুল। আর্সেনিক সমস্যা সম্পর্কিত প্রথম রিপোর্ট ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশে প্রকাশিত হয়, যেখানে কনসেন্ট্রেশনের স্তর প্রস্তুত করা হয় ৫০ মিলিগ্রাম প্রতি লিটার (মিগ্রা/লিটার) এবং এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শিত সর্বোচ্চ স্তরের চেয়ে অতিকম। বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষিত গভীরপানি সমস্যা সর্বপ্রথম অনুসন্ধান করা হয় ১৯৯৩ সালে চামাগ্রাম গ্রামের চারটি টিউবওয়েল থেকে।

বাংলাদেশে ৫০ মিলিয়নের বেশি মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে, এবং বছরে বছর ধরে লাখশ মানুষ আর্সেনিক দূষিত পানি পান করার কারণে মরণবরণ করে। আর্সেনিক সমস্যা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায

shunwaste

আর্সেনিক সমস্যার সমাধান (arsenic removal systems)

আর্সেনিক সমস্যা একটি বিশ্বজারিক সামাজিক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসাবে গণ্য করা হয়। বিশেষত, বাংলাদেশের পরিস্থিতিটি সবচেয়ে ভয়াবহ বলে মনে করা হয়, যেখানে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষ আর্সেনিক প্রসারিত পানি থেকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকানোয় আছে। আর্সেনিক সমস্যা সমাধানের জন্য নিম্নলিখিত উপায়গুলি অনু

The Pristine Past of Coral Reefs

You may want to see also

shunwaste

আর্সেনিক প্রদূষণের সামাজিক প্রভাব (social implications of arsenic poisoning)

আর্সেনিক প্রদূষণ বিশ্বজুড়ে লোকস্বাস্থ্যের জন্য একটি বিপজ্জনক সমস্যা হিসাবে গণ্য করা হয়। বাংলাদেশের পরিস্থিতিটি সবচেয়ে ভয়াবহ বলে মনে করা হয়, যেখানে প্রায় ৫০ মিলিয়ন লোক আর্সেনিক প্রদূষণে আসতে শুরু করেছেন। আর্সেনিক প্রদূষণের সবচেয়ে বড় কারণ হল পানি ও খাদ্যে আর্সেনিকের মিশ্রণ। বাংলাদেশের লোকজন এর সঙ্গত হচ্ছেন আর্সেনিক প্রদূষিত পানি পান ও খাদ্য পরিশোধনের মাধ্যমে। আর্সেনিক প্রদূষণের সবচেয়ে সাধারণ প্রভাব হল আর্সেনিকোসিস, যা বাংলাদেশে বেশ কয়েক মিলিয়ন লোকের ক্ষেত্রে পাওয়া যায়। আর্সেনিক প্রদূষণের অন্যান্য প্রভাব হল বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার, নাড়ী-মাস্তিস্ক রোগ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস

Frequently asked questions

আর্সেনিক প্রকৃতপক্ষে এক ধরনের জর্ক, যা বাংলাদেশের ভূগর্ভস্থ পানিতে পাওয়া যায়। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশের উত্তরের এক জেলায় এর উপলক্ষ হয়। এটি পানিতে অনুভূত না হওয়ায়, এর সংক্রান্ত জ্ঞান ও বিজ্ঞতা বাড়ানো বেশ কঠিন।

আর্সেনিক খাদ্যশ্রেণীতে এবং পানিতে বহু বিপজ্জনক প্রভাব ফেলে। এটি বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার, বিশেষ করে ফেফ ক্যান্সার, ব্রেন ক্যান্সার, হার্ট ডিজিজ, ডায়াবেটিস, শ্বাসরোগ, বিপন্ন গর্ভাবস্থার সমস্যা ও শিশুদের মনোবিকাশে বিঘ্ন সৃষ্টি করে।

না, বাংলাদেশের ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং নেপালের কিছু অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক পাওয়া যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশকৃত সীমার তুলনায় এই অঞ্চলগুলির ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের অংশ বেশি পাওয়া যায়।

Written by
Reviewed by
Share this post
Print
Did this article help you?

Leave a comment